সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৩

muktagacha news


মুক্তাগাছা নিউজ রিপোর্ট  : অনলাইন মুক্তাগাছা নিউজ প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল  প্রকাশিত হচ্ছে । এটা দেশ বিদেশে থাকা মুক্তাগাছাবাসীর জন্য খুবই আনন্দের সংবাদ । মুক্তাগাছা থেকে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি সকলের জন্য সুখের বার্তা । আমরাও পত্রিকার মঙ্গল কামনা করা হয়েছে  ।

শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৩

নেত্রকোনায় রেল কর্মকর্তাকে ধর্ষনের অভিযোগে গণধোলাই


স্টাফ রিপোর্টার : নেত্রকোনা রেল স্টেশনের (আইডব্লিউ ) কর্মকর্তা নাজমুলকে নারী ধর্ষনের অভিযোগে গণধোলাই দিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা । অভিযোগে প্রকাশ দুঃশ্চরিত্র এই কর্মকর্তা ভূলিয়ে ভালিয়ে সহজ সরল নারীদৈর ফুসলিয়ে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিনিয়ত এ কর্মকান্ড চালিয়ে গেলেও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থাই নেয়নি । এরই প্রেক্ষিতে পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা ভূক্তভোগী ও তাদের পরিবার পরিজন সুয্গো বুঝে ধর্ষনকালে গণ ধোলাই দেয় । সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটনা ঘটানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে ।

কিশোরীর গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একটি হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে ওই মামলার দুজন সাক্ষীকে ধারলো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে। এ ঘটনায় আহত সাইফুল ইসলামকে (২৫) নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও শুক্কুর আলীকে (৩০) ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল ইউনিয়নের রসুলপুর নদীরপাড় এলাকায় গত মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনাটি ঘটে। বুধবার সাইফুল ইসলাম ঘটনার বিষয়ে জানান,রসুলপুর ছিলার বাজার থেকে টেলিভিশন দেখে শুক্কুর আলীকে নিয়ে বাড়িতে ফেরার পথে রসুলপুর গ্রামের আসাদুল্লাহ হত্যা মামলার আসামী মো. শামছু মিয়া, জাহের উদ্দিন, মতিউর রহমান, দানিছ মিয়াসহ কয়েকজন দুইদিক থেকে তাদের পথরোধ করে। তাদের হাতে নানা ধরণের অস্ত্র দেখে প্রাণ রক্ষায় তারা দৌঁড় দিলে হামলাকারীরা পেছন থেকে ধাওয়া করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো শুরু করে। তারা দুজন গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশ থেকে লোকজন বেরিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গ্রামের লোকজন জানান, আসাদুল্লাহ হত্যা মামলার এই আসামিরা ঈদের কিছুদিন আগে জামিনে বেরিয়ে আসে। আসাদুল্লাহ হত্যা মামলার বাদি আ.লতিফ জানান, ২০১২ সালের ২৮ অক্টোবর প্রকাশ্য দিবালোকে তার ছেলেকে (আসাদুল্লাহ) কুপিয়ে হত্যা করে ওই হামলাকারীরা। এ ঘটনায় তিনি নান্দাইল মডেল থানায় একটি মামলা করেন (মামলা নং ৩১ তারিখ ৩১/১০০১২)। ওই মামলায় সাইফুল ইসলাম ও শুক্কর আলী গুরুত্বপুর্ণ সাক্ষী। এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার জাহিদুল ইসলাম হামলার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন আসামিদের জামিন বাতিলের জন্যে আদালতে আবেদন জানানো হবে।

মনোনয়ন প্রত্যাশীর হেলিকপ্টারে আগমন

বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বঙ্গতাজ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের ভাগিনা নজরুল ইসলাম খান বাবুল ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে নিজ উপজেলা ভালুকায় আসেন। শনিবার বিকেলে ভালুকার ধলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে তার হেলিকপ্টার অবতরণ করে। এসময় হাজার হাজার উৎসুক জনতা তাকে দেখতে কলেজ মাঠে ভিড় জমায়। পরে বিকেলে নজরুল ইসলাম খান ভালুকা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে ঘোষণা দেন । এর আগে নজরুল ইসলাম জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিযোগিতামূলক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। ধলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ অধ্যক্ষ মুজুরুল হক খানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- রোকেয়া বেগম, শারফুল ইসলাম ,বজলুল হক খান, মনিরুজ্জামান স্বপন প্রমুখ। উল্লেখ্য, আলহাজ নজরুল ইসলাম খান বাবুল একজন ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী। তিনি ভালুকা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মরহুম নুরুল ইসলাম খান সোনামিয়ার ছেলে।

পাট জাগে বিড়ম্বনা দেখা দেয়াসহ উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় চলতি মৌসুমে চাষ কমেছে

বৃষ্টিপাতের অভাবে কাঁচা পাট জাগে (পানিতে পাট পচানো)সমস্যা দেখা দেয়ায় এবার এর চাষ করেননি। ফলে গতবারের তুলনায় এবার প্রায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর কম জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। লাভজনক দাম পাওয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোয় নাটোরে পাটের আবাদ বাড়ে উল্লেখযোগ্য হারে। কিন্তু গত বছর বৃষ্টির অভাবে পাট জাগে বিড়ম্বনা দেখা দেয়াসহ উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় চলতি মৌসুমে চাষ কমেছে। জানা গেছে, গত বছর মৌসুমের শুরুতে অনাবৃষ্টি থাকায় চাষাবাদ শুরু হয় দেরিতে। তারপর পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হওয়ায় পাট জাগ দিতে কৃষককে বিড়ম্বনা পোহাতে হয়। জলাশয়ের খোঁজে দূরদূরন্তে পাট নিয়ে জাগ দিতে বাড়তি খরচ বহন করতে হয় তাদের। পরে জেলা কৃষি বিভাগের সহায়তায় রিবন রেটিং পদ্ধতিতে কিছু চাষী পাট জাগ দিয়ে সমস্যা মোকাবেলা করলেও অভ্যস্ত না থাকায় কৃষকের মধ্যে খুব একটা সাড়া ফেলতে পারেনি প্রক্রিয়াটি। ফলে বেশির ভাগ চাষী ভূগর্ভস্থ পানি তুলে কৃত্রিম জলাশয় তৈরি করে পাট জাগ দেয়। এতে এক বিঘা জমির পাট জাগ দিতে বাড়তি খরচ পড়ে ২ হাজার টাকা। তার পরও পাটের রঙ আশানুরূপ না হওয়ায় লাভ হয়নি প্রান্তিক কৃষকদের। সদর থানার বাঙ্গাবাড়িয়া এলাকার চাষী জয়নাল মণ্ডল জানান, গত বছর বৃষ্টির কারণে পাট জাগে জটিলতা সৃষ্টি হয়। কৃত্রিম জলাশয় সৃষ্টি করে স্বল্প পরিসরে পাট জাগ দেয়ায় বাড়তি খরচ গুনতে হয়। তাই সমস্যা এড়াতে গতবার পাঁচ বিঘা জমিতে পাট চাষ করলেও এবার তিনি করেছেন তিন বিঘায়। কোনো রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা না দিলে আগামী জুলাই-আগস্টে কৃষকরা মাঠ থেকে পাট গাছ কেটে পানিতে জাগ দেবেন। পাটের বীজ বপনের পর জাতভেদে ১০০-১২০ দিন পর পাট গাছ পরিপক্বতা লাভ করে। নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৯-১০ অর্থবছর (জুলাই-জুন) জেলায় ৪ হাজার ৮১৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করে ৪৩ হাজার ২৭ বেল (প্রতি বেল ২০০ কেজি) পাট পাওয়া যায়। গড় ফলন ছিল হেক্টরপ্রতি ৮ দশমিক ৯৩ বেল। ২০১০-১১ অর্থবছরে ১৮ হাজার ৪৯৮ হেক্টর জমি থেকে পাওয়া গিয়েছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৬২ বেল পাট। হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৫৬ বেল। ২০১১-১২ অর্থবছর ২১ হাজার ৭৪ হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৩ বেল, অর্থাৎ হেক্টরপ্রতি ১১ দশমিক ৪২ বেল পাট পাওয়া যায়। গত বছর নাটোরে ১৬ হাজার ৭৪৫ হেক্টরে পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা বেড়ে ১৯ হাজার ৮৫৫ হেক্টর জমিতে উন্নীত হয়। এতে গড় ফলন হয় ১১ দশমিক ৭৫ বেল। অর্থাৎ বিগত চার বছরে জেলায় পাট আবাদে জমির পরিমাণ, মোট উৎপাদন ও গড় ফলন বেড়েছে। কিন্তু গতবার বৈরী আবহাওয়ায় পাট জাগে সংকট দেখা দেয়ায় চলতি মৌসুমে ৩ হাজার ৩৪৫ হেক্টর কম জমিতে পাট চাষ হয়েছে। এ বছর দেশী পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৫৫৭ হেক্টরে থাকলেও ৩০০ ও তোষা ১৭ হাজার ৬১৬-এর বিপরীতে হয়েছে ১৬ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে। সঠিক পরিসংখ্যান জানা না গেলেও জেলায় জেআরও ৫২৪ ইন্ডিয়া তোষা জাতের পাট চাষের পরিমাণই বেশি। নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক মো. রহমত উল্লাহ সরকার বলেন, কাগজ-কল, পারটেক্স শিল্পে পাটের ব্যবহার রয়েছে। এছাড়া দেশী পাটকল সচলের উদ্যোগ গ্রহণসহ বেসরকারি মালিকানায় স্থাপনও করা হচ্ছে। ফলে ভালো বাজারদর পাওয়ায় প্রতি বছরই নাটোরে পাটের আবাদ বাড়লেও এবার কিছুটা কমেছে। দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে আগাম পাট

মুক্তাগাছায় নতুন ইউনয়িন বাস্তবায়নরে দাবীতে বক্ষিোভ সমাবেশ

মুক্তাগাছা(ময়মনসংিহ) প্রতিনিধি: মুক্তাগাছা উপজলোর দুল্লা ইউনিয়নকে বিভিক্ত করে বিন্নাকুড়ি নামে নতুন ইউনিয়ন বাস্তবায়নের দাবীতে এলাকাবাসীর কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার বিকালে ইউনিয়নের বিন্নাকুড়ি বাজার থেকে নতুন ইউনিয়ন বাস্তবায়নের দাবীতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে পুরো ইউনিয়ন প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বাস্তবায়ন কমিটির নেতা আব্দুল মালেক (টাইগার মালেক), ইউপি সদস্য শাহজাহান আলী, নূরুন্নাহার, আলাল উদ্দিন, বাস্তবায়ন কমিটির নেতা এস্কান্দার আলী, ইব্রাহিম আলী, হযরত আলী,আলহাজ্ব ডা. জালাল উদ্দিন, লাল মাহমুদ, সাহেব আলী মাস্টার, আইউব আলী প্রমুখ। তিন জেলার সীমান্তবর্তী মুক্তাগাছা জেলার শালবন অধ্যুসিত ৪১ র্বগ কলিোমটাররে আয়তনরে দুল্লা ইউনয়িন এর মধ্যে ২০বর্গি কলিোমটিার নয়িে বন্নিাকুড়ি নামে নতুন ইউনয়িন গঠনরে দাবী জানয়িে আসছে এলাকার প্রায় ১০ হাজার জনগন । মুক্তাগাছার উপজলোর ১নং দুল্লা ইউনয়িনটি উপজলোর র্সব বৃহৎ ইউনয়িন । ইউনয়িনরে ৮৮১০টি বাড়রি মধ্যে ২৮৯২টি বাড়ি নয়িে প্রস্তাবতি বন্নিাকুড়ি ইউনয়িন। ৩৬০৫৪ জনসংখ্যা অধুষতি জনগনরে মধ্যে ১২০৩২ জন এই প্রস্তাবতি ইউনয়িনে । ভোটার সংখ্যা ২৩৮৮৬ জনরে মধ্যে বন্নিাকুড়তিে র্বতমানে প্রায় ১০হাজার ভোটার রয়ছে।ে তাছাড়া বন্নিাকুড়ি ইউনয়িনে ৯টি প্রাথমকি বদ্যিালয়, ৪টি মশিনারী প্রাইমারী স্কুল ৩টি উচ্চ বিদ্যালয় ১ দাখিল মাদ্রাসা, ২টি এবতেদায়ী মাদ্রাসা রয়েছে। এলাকায় ৩ হাজার ক্ষুদ্র নৃতাত্বিক (গারো ) জনগোষ্টি বাস করে। নব গঠিত ইউনিয়নের বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসন থেকে ইউনিয়নের নক্্রাসহ যাবতিয় তথ্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা হয়েছে। কিন্তু অধ্যাবদি ইউনিয়নটি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের ক্ষোভ পাহাড়ী জনগোষ্টি অধ্যুষিত এলাকাটি পৃথক না হওয়ায় উন্নয়ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকার জনগন। তাদের দাবি বর্তমান সরকার এ ইউনিয়নটি বাস্তবায়ন করে এলাকার উন্নয়নে সহায়তা করবে। E-mail: livepress24@gmail.comপ্রধান সম্পাদক : সুভাষ সিংহ রায় সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২৮/৪, পূর্ব তেজতুরি বাজার, তৃতীয় তলা, কারওয়ান বাজার, (লা ভিন্সি হোটেলের পেছনে) ঢাকা- ১২১৫। হটলাইন- নিউজ : ০১১৯২ ০৪৩৮১০, সারাদেশ ডেস্ক : ০১১৯২ ০৪৩৮০৯, ফোন : পিএবিএক্স- ৮৮-০২-৯১০১৯৪৩--৪৪, ৯১৩৭০৭৮, ফ্যাক্স : +৮৮ ০২ ৯৩৩৩১৪৮ ইমেইল : infoabnews@gmail.com 2013 © Abahaman Bangla Media Limitedমুক্তাগাছা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বেহাল দশা মুক্তাগাছা প্রতিনিধিময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে চলছে বেহাল দশা। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে ১৩ জন এমবিবিএস ডাক্তারসহ বিবিন্ন পদবির কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। মুক্তাগাছা হাসপাতালে ৭ জন, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে ২ জন ও ৪টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ১ জন করে ৪ জন এমবিবিএস ডাক্তার কাগজে-কলমে কর্মরত থাকলেও বাস্তবে অধিকাংশ ডাক্তারের কর্মস্থানে অনুপস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যসেবা বিঘি্নত হচ্ছে। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে কর্মরত ২ জন ডাক্তার রয়েছেন যারা সপ্তাহে ১ দিন করে অফিসে এসে থাকেন বলে সূত্রে জানা যায়। শুধু সপ্তাহে বন্ধ্যাকরণ ক্যাম্পের দিন উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে তাদের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ডা. নার্গিস মোর্শেদা মেডিকেল অফিসার এমবিবিএস, এফপিআই তিনি ঢাকায় বসবাস করেন। সপ্তাহে ১ দিন ঢাকা থেকে এসে অফিস করে আবার চলে যান। ডা. মাহমুদা বেগম তিনিও ময়মনসিংহ অবস্থান করেন। তিনিও সপ্তাহে ১ দিন কর্মক্ষেত্রে এসে থাকেন। অন্যদিকে উপকেন্দ্রগুলোতে ১ জন এমবিবিএস ডাক্তার, ১ জন মেডিকেল অ্যাসিসট্যান্ট ফার্মাসিস্ট ১ জন ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী রয়েছেন। সাব-সেন্টারগুলোতে সপ্তাহে ৬ কর্মদিবসে মেডিকেল অফিসার, মেডিকেল অ্যাসিসট্যান্ট ও ফার্মাসিস্টরা পালা করে (সিফটিং) প্রতি সপ্তাহে ২ দিন করে দায়িত্ব পালন করে থাকে বলে সংশ্লিষ্ট এলাকা সূত্রে জানা যায়। বাকি দিনগুলোতে তারা প্রাইভেট প্রাকটিসে ব্যাস্ত থাকেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭ জন ডাক্তার কর্মরত। অনেকেই সরকারি দায়িত্ব এড়িয়ে এবং গড়হাজির থেকে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের নেশায় প্রাইভেট প্রাকটিস নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। অন্যদিকে মুক্তাগাছা হাসপাতালটি ৩১ থেকে ৫০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হলেও সরকারিভাবে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহ না করায় পুরোপুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকাবাসী। তাছাড়া নতুন ভবনে বসার কোনো সুযোগ এবং চিকিৎসা সরঞ্জামাদি না থাকায় পুরনো ভবনেই ৭ জন ডাক্তার গাদাগাদি করে বসে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন।