শুক্রবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৩
পূর্বধলায় পাট চাষ এখন বিলুপ্তির পথে
নেত্রকোনার পূর্বধলায় সোনালী আঁশ পাট ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। চাষিরাও মনোবল হারিয়ে পাট চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এক সময় বিশ্বের উৎপন্ন পাটের প্রায় ৮০ ভাগ বাংলাদেশে জš§াতো। এখন তা ক্রমান্বয়ে বিলীনের পথে। বাংলাদেশে অন্যান্য উৎপাদনশীল পণ্যের মধ্যে পাট অন্যতম। যা উৎপাদন করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা হতো। শুধু তাই নয় পাট দিয়ে তৈরি হতো দড়ি, কাছি চট, থলে, আবার পাটের আঁশ পরিষ্কার করে তৈরি করা হতো মূল্যবান কাপড়।
পাটখড়ি দিয়ে তৈরি হতো পারটেক্স। পাট চাষ করে অনেক চাষিরা তাদের জীবিকা নির্বাহ করত। দেশের অন্যান্য স্থানের মতো নেত্রকোনার পূর্বধলায় পাটের উৎপাদন ছিল অপরিসীম। এলাকাবাসীর ধারণা ছিল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু তত্ত্বাবধান না থাকায় ও চাষিরা তাদের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার ফলে চাষিরা পাট চাষ থেকে দিন দিন সরে পড়েছেন।
পাট উৎপাদন পণ্য যা উৎপাদন না হওয়াতে প্রায় সবকটি কলকারখানা বন্ধ হয়ে গিয়ে ছিল। বর্তমান সরকারের প্রচেষ্ঠায় সারা দেশে ছয়টি কলকারখানা চালু করা হয়েছে। এই দিকে বন্ধ কলকারখানাগুলো চালু হলে বেকারত্ব অনেকটা লাগব হবে বলে আশাবাদী সমাজ সচেতন নাগরিকদের।
তাই পূর্বের ন্যায় পাট চাষে চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ, সচেতন মানুষের সহযোগিতা, উৎপাদন সমৃদ্ধ করার জন্য সর্বোপরি গণ-সচেতনতা ও সরকারি উদ্যোগগ্রহণ করলেই আবারও চাষিরা পাট চাষে উৎসাহী হয়ে নিজেদেরকে স্বাবলম্বী করে তুলবে। এ দেশ ও জাতি ফিরে পাবে সোনালী আঁশ পাট।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন