শুক্রবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৩

www.mymensinghkhobor.com

ময়মনসিংহ জেলা ১৭৮৭ সালের ১ মে তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরআদিনাম ছিল ‘নাসিরাবাদ’। আদি ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন স্থান একে একে সিলেট, ঢাকা, রংপুর ও পাবনা জেলার অংশ হয়ে পড়ে। বর্তমান ময়মনসিংহ জেলারউত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্য, দক্ষিণে গাজীপুর জেলা, পূর্বে নেত্রকোনা ওকিশোরগঞ্জ জেলা এবং পশ্চিমে শেরপুর, জামালপুর ও টাঙ্গাইল জেলা অবস্থিত।ময়মনসিংহ জেলা মোট ১২ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ময়মনসিংহ ‘শহর’ গঠিত হয়েছিল। এরপর ইতিহাসের নানা চড়াই-উতরাইপেরিয়ে, বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে, প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এইময়মনসিংহ শহর আজও তার ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।
বিশেষ করে বড় বড় পরগনাগুলোর মালিক জমিদারদেরেরা ইংরেজ কালেক্টরদের কাছে খাজনা দেয়ার জন্য ময়মনসিংহ শহরে এসে অনেকদিন অবস্থান করতে হত। তাদের মত জমিদাররা শহরে এসে অন্যের কাচারিতে উঠবে এটা কি হয়, তাই জমিদারদের শহরে বাড়ি বানানোর হিড়িক পড়ে গেল। এভাবেই ময়মনসিংহ শহর হয়ে উঠল জমিদারদের শহর। জমিদারদের নির্মান করা সে সব আবাস স্থলের স্থাপত্য শৈলী এবং কারুকার্য যে কারো দৃষ্টি আকর্ষন করে।
মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী নিজ পুত্র শশীকান্ত আচার্য চৌধুরীর নামে উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে নির্মান করেন দ্বিতল ভবন “শশীলজ”। ১৮৯৭ এর ভয়াবহ ভুমিকম্প দ্বিতল ভবনটি ভেঙ্গে যাবার পর বর্তমান একতলা দালান বাড়িটি নির্মান করা হয়। মহারাজার এ বাড়িটি নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই-গল্প-গাথা-কিংবদন্তীরও যেন শেষ নেই। বলা হয় বাড়িটিতে একটি সুড়ঙ্গ পথ ছিল, যে পথে নাকি ময়মনসিংহ শহর থেকে মুক্তাগাছা চলে যাওয়া যেত। দ্বিতল শশীলজ ধ্বংস হবার পর মহারাজা ময়মনসিংহ শহরে দ্বিতল পাকা বাড়ি নির্মান নিষিদ্ধ করেন বলেও জানা যায়। আমার ধারনা এটি ঠিক কেননা অন্য অনেক জেলায় অনেক জমিদার বাড়ি দ্বিতল দেখলেও গোটা ময়মনসিংহ শহরে কোন জমিদার বাড়ি দ্বিতল পাইনি।
ময়মনসিংহের রাজ বাড়ি বলতে আবাল বৃদ্ধবনিতা সবাই মহারাজা সূর্যকান্তের নয়নাভিরাম শিল্প শৈলী শশীলজ কটেজকেই জানে। গঙ্গাদাস গুহ রোডে জেলা পরিষদ ভবনের বিপরীতে এর বিশাল উপস্থিতি চোখে পড়ার মত। প্রধান ফটকের সামনে দাড়িঁয়ে বাড়িটির দিকে তাকালে সবুজ গাছ গাছালির সমাবেশে সাদা পাড় মেরুন বাড়িটি অদ্ভুত সুন্দর নারী ভাষ্কর্যসহ যে কাউকে চমকে দেবার ক্ষমতা রাখে। বিশাল এ বাড়িটিতে আছে অসংখ্য দুর্লভ বৃক্ষের সমাবেশ। বয়সের ভারে একটি একটি করে গাছ ইদানিং হেলে পড়ছে। ১৯৫২ থেকে শশীলজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দেশের একমাত্র মহিলা শিক্ষক প্রশিক্ষন কলেজ।
শশীলজ থেকে সামান্য দূরেই মহারাজের বাগানবাড়ি। আয়তন বিবেচনায় বাগান বাড়িটি বেশ কিছুটা বড়। ময়মনসিংহ শহরের উল্ল্যেখযোগ্য এক স্থাপত্য আলেকজান্ডার ক্যাসেল বা আলেকজান্দ্রা ক্যাসেল এ বাগান বাড়িতে অবস্থিত। মহারাজা সূর্যকান্ত ময়মনসিংহ শহরের জুবলি উৎসব পালনের জন্য তৎকালীন ভারত সম্রাট সপ্তম এডওয়ার্ড পতœী সম্রাজ্ঞী আলেকজান্দ্রার নামে দ্বিতল লোহার তৈরী এই ভবন নির্মান করেন। অন্য এক মতে ময়মনসিংহের তৎকালীন ইংরেজ কালেক্টর আলেকজান্ডার আই সি এস এর নামে ১৮৮৯ তে ভবনটি মহারাজা সূর্যকান্ত নির্মান করেন। লালকোঠি নামে সাধারন্যে পরিচিত দ্বিতল ভবনটি অভ্র বা চুমকি ব্যবহারে শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত ছিল বলে জানা যায়। এটি বর্তমানে শিক্ষক প্রশিক্ষন মহাবিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ১৯২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ সহ পৃথিবীর অনেক খ্যাতিমান মানুষ এখানে আতিথ্য গ্রহন করেন। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে ভাঙ্গা হয়েছে অসংখ্য ব্রোঞ্জ ও পাথরের ভাষ্কর্য যার কিছু ভাঙ্গা চুড়া নিদর্শন কালের সাক্ষী হিসাবে এখনো দাড়িয়ে আছে বাগান বাড়িতে।
ব্রম্মপুত্র নদের তীরে খান বাহাদুর ঈসমাইল হোসেন রোডের পাশে আকর্ষনীয় কারুকার্য খচিত চৈনিক নির্মান শিল্পীদের দক্ষ হাতের দ্বিতল কাষ্ট্র নির্মিত বাড়িটির নাম গৌরীপুর লজ। গৌরীপুরের জমিদারের শহরের বাসভবন এটি। ১৮৯৭ সালের ভুমিকম্পের পর দ্বিতল বাড়ি নির্মানের অনুমতি না থাকায় কাঠের বাড়িটি নির্মান করেন গৌরীপুরের জমিদার রাজেন্দ্র কিশোর। বর্তমানে বাড়িটি সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখা হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
নারায়নডহের জমিদার মোহনী মোহন মজুমদার শহরের বাড়ি এটি। বর্তমান এএসপি ট্রাফিক এর অফিস হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এটি কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থানার জমিদার বাড়ি তালজাঙ্গালাজ। সি কে ঘোষ রোডে অবস্থিত এ বাড়িটি বর্তমানে আলমগীর মনসুর মেমোরিয়াল কলেজ হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এ বাড়িটি জমিদার রায় বাহাদুর জেমি গুহর বাড়ি বর্তমানে খামার বাড়ি হিসাবে পরিচিত। অবিভক্ত বাংলার কংগ্রেস সভাপতি সুসং দূর্গাপুরের জমিদার কুমুদ চন্দ্র সিংহ এর আবাসটি ছিল মহারাজা রোডে, যার নামে মহারাজা রোডের নামকরন হয়।
সাহেব কোয়ার্টার রোডের শেষপ্রান্তে পৌর পার্কেও পশ্চিমে ব্রম্মপুত্র নদের তীর ঘেষে এ বাড়িটি অবস্থিত। বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা বা জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রতিদিন শিল্পাচার্যের ছবি দেখতে অসংখ্য দর্শনার্থীর ভীর হয় সেখানে। এটি মূলত অবিভক্ত বাংলার অর্থমন্ত্রী নলিনী রঞ্জন সরকারের একতলা বাড়ি পরবর্তীতে যা দ্বিতল করা হয়েছে।
গৌরীপুরের কালিপুর এষ্টেটের জমিদার রমনীকান্ত লাহিড়ীর শহরের বাসভবন এটি যেটি বর্তমানে সূর্যকান্ত হাসপাতাল বা এস কে হাসপাতাল হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
যেসব জমিদার বাড়িগুলো ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে বা রক্ষনা বেক্ষনের অভাবে অস্তিত্ব বিপন্ন এদের ছবি দিয়ে আর ছবির সংখ্যা বাড়ালাম না তবে সংক্ষিপ্ত পরিচিতি নিচে তুলে ধরছি।
১। গোলপুকুরের জমিদার কুমার উপেন্দ্র চৌধুরীর বাড়ি প্রায় ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে।
২। আলাপসিংহ পরগনার বাসাবাড়ি এস্টেট এর জমিদার শিরীষ চন্দ্র চৌধুরীর বাসভবন কিছুদিন আগে ভেঙ্গে মার্কেট করা হয়েছে।
৩। গৌরীপুরের রামগোপালপুর এস্টেট এর জমিদার যোগেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর বাসভবন বিপন্ন প্রায়।
৪। কালিবাড়ি রোডের নারায়নডহের জমিদার বাড়িটিও ধ্বংস প্রায়।
৫। ঈষান চক্রবর্তী রোডের টাঙ্গাইলের ধনবাড়ির জমিদার এবং ঈষান চক্রবর্তীর নিজের বাড়িটির অবস্থাও ভাল না। মুক্তিযুদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের অফিস হিসাবে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
৬। শিক্ষানুরাগী আঠার বাড়ি এষ্টেট এর জমিদার ক্ষিতিশ চন্দ্র রায় চৌধুরীর বাসভবন বর্তমানে যার কোন অস্তিত্ব আর নেই।
৭। সি কে ঘোষ রোডের অমরাবতী নাট্যমন্দির (বর্তমানে ছায়াবনী সিনেমা হল) এর বিপরীতে যে জমিদার বাড়িটি দেখতে পাবেন এটি ছিল ত্রিশালের সেনবাড়ির জমিদার সুরেন্দ্র চন্দ্র সেন ও বাদল চন্দ্র সেনদের শহরের বাসভবন। তিনি ছিলেন ভাওয়াল রাজার রায়ত।
৮। কিশোরগঞ্জের মসুয়ার জমিদার হরি কিশোর রায় চৌধুরীর বাড়িটি এখন কমিউনিটি সেন্টার হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যার পরস্পরা উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী, সুকুমার রায়, সত্যাজিৎ রায়।
৯। টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের দানবীর রায় বাহাদুর রনদা প্রসাদ সাহার বাড়িটি এখন ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে প্রায় যা শিশু একাডেমীর কার্যালয় হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
১০। কিশোরগঞ্জের গাঙ্গুটিয়ার জমিদার ডি এন চক্রবর্তীর বাড়িটির কোন অস্তিত্ব আর এখন নেই।
১১। মাত্র কিছুদিন আগে চিরদিনের জন্য হাড়িয়ে গেল ত্রিশালের কালি হারীর জমিদার প্রফুল্ল কুমার চক্রবর্তীও বসত বাটি।
১২। নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া আরেকটি জমিদার বাড়ি টাঙ্গাইলের বেলতার জমিদার অনাথবন্ধু গুহর বাড়ি যেটি ভেঙ্গে ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ের জন্য বহুতল ভবন নির্মান করা হয়েছে।
জমিদারদের নগরী ময়মমনসিংহের বিপন্ন প্রায় জমিদার বাড়িগুলোকে রক্ষা করা যেমন জরুরী, একই সাথে জরুরী বেহাত হয়ে যাওয়া বাড়িগুলো ফিরিয়ে নেয়ার কার্যকর উদ্যোগ এবং অক্ষত বাড়িগুলো সংরক্ষন। ধ্বংস হতে বসা বিপিন পার্কটির বিষয়ে ময়মমনসিংহের পৌরসভা যেভাবে উদ্যেগ নিয়েছে এভাবে এ জমিদার বাড়িগুলো সংরক্ষনের জন্য যদি ব্যবস্থা নেয় তাহলে ইতিহাসের বিষয়ে অসচেতন জাতির কিছুটা হলেও উপকার হবে।
ময়মনসিংহের আনন্দ-অবকাশ:
ময়মনসিংহ শহরটি, ময়মনসিংহ জেলার প্রায়কেন্দ্রভাগে পুরাতন ব্রহ্মপূত্র নদের তীরে অবস্থিত। নদীর তীর জুড়েএখানে একটি শহর রক্ষাকারী বাঁধ রয়েছে, যার বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে গড়েউঠেছে ‘ ময়মনসিংহ পার্ক ’। জেলা সার্কিট হাউসের পাশে গড়ে ওঠা এই পার্কটি ‘সার্কিট হাউস পার্ক’ নামেও পরিচিত। এটি, ২১.৭৩ কি.মি. আয়তনের ময়মনসিংহ শহরের অধিবাসীদের মূল বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।শহরবাসীর আনন্দ-অবকাশের প্রধান স্থান এই পার্ক। শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণপ্রকল্প চলাকালে এই পার্কটিকে আরও মনোরম করে গড়ে তোলা হয়েছে। পার্কেরসর্বত্রই রয়েছে সবুজের সমারোহ। পার্কের মূল রাস্তার দু-পাশ দিয়েই রয়েছেসারি সারি, ছোট- বড় অসংখ্য গাছ। তার ফাঁকে ফাঁকে আছে বসার জন্য সিমেন্ট আরকংক্রিটের তৈরি বেঞ্চ। মাঝে মাঝে আছে দল বেঁধে বসে আড্ডা দেয়ার উপযোগী ‘গোলঘর’। যেখানে বসে সুহৃদ’দের সাথে গল্প করতে করতে উপভোগ করতে পারবেনশান্ত – নিরুপদ্রব প্রকৃতিকে, দেখতে পারবেন হিমালয়দুহিতা ব্রহ্মপুত্র নদের অপরূপ সৌন্দর্য! এছাড়া, শিল্প-রসিক মানুষদের জন্য এখানে আছে ‘জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা’। এটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পরিচালিত একটিসংগ্রহশালা যেখানে বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী শিল্পাচার্য জয়নুলআবেদিনের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্মসমূহ সংরক্ষিত আছে।
সব বয়সের মানুষের জন্যই এই পার্ক শহুরে যান্ত্রিক জীবন থেকে একটুখানি হাঁফছেড়ে বাঁচার এক আশ্রয়স্থল। খুব ভোরে গেলে দেখতে পাবেন, অসংখ্য স্বাস্থ্যসচেতন শহরবাসী সেখানে এসেছেন বুক ভরে কিছু সতেজ বাতাস নেয়ার আশায়। আর, সার্কিট হাউসের বিশাল মাঠে পাবেন শহরের ক্রীড়ামোদীদের। বেলা বাড়ার সাথেসাথে পার্কে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণ-তরুণীদের ভিড়বাড়তে থাকে। প্রকৃতির সাহচর্যে থেকে বন্ধুদের নিয়ে একটু প্রাণ খুলে গল্পকরার জন্য এর চেয়ে ভালো জায়গা যে আর হয়না! ঐতিহ্যবাহী আনন্দমোহন কলেজেরসম্মান শ্রেণীর শিক্ষার্থী তামিমা সুলতানার অভিব্যক্তিতে ফুটে উঠলোসেটিই। তাঁর ভাষ্যে, “প্রকৃতির মাঝে থেকে বন্ধুদের নিয়ে গল্প করার এমনসুযোগ আর কোথায় পাবো বলুন?” এ তো গেল তারুণ্যের প্রাণোচ্ছ্বাস।মধ্যবয়স্ক ও প্রবীণদের কাছেও এই পার্কের আবেদন ময়মনসিংহেরআনন্দ-অবকাশতেমনি দুর্নিবার। কথা হল বেড়াতে আসা এক ব্যবসায়ী মাহতাবুল হকবাবুর সাথে,তিনি স্ত্রী,৪ বছরের ছেলে আইমান ও ৭ বছরের মেয়ে নুহা’কে নিয়েবেড়াতে এসেছেন। তাঁর মতে, “এখানে এলে জীবনের সব জটিলতাকে কিছুক্ষণের জন্যহলেও ভুলে থাকা যায়। প্রাণভরে উপভোগ করা যায় শান্ত এক পৃথিবী।” আর, ছোট্ট আইমানের সরল স্বীকারোক্তি, “এখানে এলে আমি অনেক খেলতে পারি।”
বিকেল গড়ানোর সাথে সাথে পার্কে নানা বয়সের মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে।সবাই প্রিয়জনকে নিয়ে বিকেলের আলোতে ব্রহ্মপুত্র নদের ধারে, প্রকৃতিরকোলে কিছুটা সময় কাটাতে এখানে চলে আসেন। পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে পার্কেঅবস্থিত ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট ও চায়ের দোকানের ব্যস্ততা। খোঁজ নিয়ে জানাগেল, পহেলা বৈশাখ, ঈদ, পূজো প্রভৃতি সামাজিক উৎসবে বা বিশেষ দিনে এই পার্কসাজে নতুন সাজে। সেসময় এখানে মানুষের ঢল নামে। তখন শহরের আবালবৃদ্ধবনিতাসকলেই নিজেদের মাঝে আনন্দ ভাগ করে নিতে জড়ো হন এই পার্কে। সে নাকি সত্যিইএক প্রাণের মেলা! একদিন না হয় সময় করে ঘুরেই আসুন না ময়মনসিংহ শহরেরঅধিবাসীদের আনন্দ-অবকাশের মিলনস্থল এই পার্ক, অনুভব করতে পারবেন লক্ষপ্রাণের এক সমবেত উচ্ছ্বাস!
- See more at: http://www.mymensinghbarta.com/?p=3904#sthash.slgQEMRP.dpuf

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন